দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দেশে পশুর মাংসের চাহিদার তুলনায় উদ্বৃত্ত সরবরাহ থাকায় রপ্তানি বাড়ানোর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে মাংস আমদানির কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সচিবালয়ে কোরবানির পশু ও কোরবানি-পরবর্তী উদ্বৃত্ত পশু নিয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে মাংসের পর্যাপ্ত উৎপাদন রয়েছে। তাই আমদানির প্রয়োজন নেই। বরং উদ্বৃত্ত মাংস রপ্তানির সুযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছে সরকার।
মাংসের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে বলেও জানান তিনি।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পশুখাদ্যের জন্য ঘাস উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়ে কাজ করা হবে। পাশাপাশি পশুপালনে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে খামারিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, পবিত্র ঈদুল আজহা ২০২৬ উপলক্ষে দেশে মোট ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮টি গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ২৩ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৬টি পশু কোরবানি হয়েছে।
তিনি বলেন, এ বছর কোরবানির পশুর চাহিদা ছিল ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। বিপরীতে প্রাপ্যতা ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি, যা চাহিদার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
সম্পূর্ণ দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে এবার কোরবানির পশুর চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয়েছে বলেও জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী।
তার ভাষায়, দেশীয় খামারিদের উৎপাদিত পশু দিয়েই এবারের কোরবানির চাহিদা মেটানো গেছে, যা দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের সক্ষমতার প্রমাণ।
জে আই